North Wales Race Equality Network
সাহায্যের সূত্রগুলি - বহিরাগমণ - শরণার্থীগণ
অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন যে এটি আইনের সঠিক সহায়িকা বা গাইড নয়.

শরণার্থী গণ

প্রতিটি ব্যক্তিরই নিগ্রহ মুক্ত হয়ে বেঁচে থাকার অধিকার আছে, অথবা নিগ্রহের ভয় থেকে মুক্ত হবার, তাদের জাতি, ধর্ম, জাতীয়তা, কোন নিদির্ষ্ট সামাজিক গ্রুপের সদস্যতা, অথবা রাজনৈতিক মতাদর্শের ওপর যার ভিত্তি.

“গভর্ণমেন্ট যখন এই অধিকার গুলিকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়, তখন জনগণের অধিকার আছে এমন কোনও দেশে চলে যাবার যা তাদের সুরক্ষা দিতে পারে. একে বলে শরণের অধিকার”

একটি শরণার্থী আবেদক হল একজন ব্যক্তি যিনি দাবী করেন যে তাঁকে ইউনাইটেড কিংডম থেকে বেরিয়ে যেতে বা বিতাড়িত করাটি উদ্বাস্তুর মর্যাদা সম্পর্কিত সংযুক্ত দেশগুলির কনভেনশন এবং নিয়মনীতির অধীনে ইউনাইটেড কিংডেমর দায়বদ্ধতার বিপরীত হবে. এ ধরণের সমস্ত মামলাগুলি এই নিয়মে সুপারিশ করা হলে তাকে শরণার্থী আবেদন বলা হবে.

সমস্ত শরণার্থী আবেদনগুলি উদ্বাস্তু মর্যাদা সম্পর্কিত সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অধিবেশন এবং নীতিনিয়মাধীন ইউনাইটেড কিংডমের দায়বদ্ধতা অনুসারে স্টেট-এর সেক্রেটারী দ্বারা নির্ধারিত হবে. ইউনাইটেড কিংডমের কোন বন্দর বা বিমানবন্দরে কোন ব্যক্তি দ্বারা প্রতিটি আবেদন ইমিগ্রেশন অফিসার দ্বারা এই সমস্ত নিয়ম অনুসারে সেক্রেটারী অফ স্টেট দ্বারা নির্ধারিত করার জন্য.

আপনি যদি ভাবছেন বা শরণ নেবার প্রক্রিয়াতে আছেন তাহলে নিম্নলিখিত লিংকগুলি হয়তো কাজে লাগতে পারে..

উপকারী লিংকগুলিi

বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলি

এসাইলামল.ওআরজি

এটি আন্তর্জাতিক এজেন্সীদের একটি সাহায্যকারী সংঘ দ্বারা পরিচালিত ওয়েবসাইট যারা শরণার্থীদের সাহায্য করে.

উদ্বাস্তু পরিষদ

এটি ইউ. কে-র বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান য়াঁরা শরনার্থী এবং উদ্বাস্তুদের সঙ্গে কাজ করে. এঁরা শুধু সাহায্য ও সহযোগিতাই দেয় না, শরণার্থী এবং উদ্বাস্তুদের সঙ্গে কাজও করে যাতে তাদের চাহিদা এবং উদ্বিগ্নতাগুলিকে দূর করা যায়..

শরণার্থী এবং উদ্বাস্তুদের স্বাস্থ্য পোর্টাল

এটি একটি বিস্তৃত সাইট শরণার্থীদের জন্য এবং তাদের সঙ্গে কাজ করতে থাকা পেশাদারদের তথ্য সূচনা এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয়বস্তু সহ.

বহিরাগমণ উপদেষ্টা পরিষেবা

IAS হল একটি অগ্রণী দাতব্য প্রতিষ্ঠান যারা বহিরাগত এবং শরণার্থী দের বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ এবং প্রতিনিধিত্ব পরিষেবা প্রদান করে. IAS ইউ.কে এবং বিদেশে আইনি সাহায্যের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদের এবং নিয়িন্ত্রত আইনি প্রতিনিধিত্ব ইমিগ্রেশন, শরণ এবং জাতীয়তার মামলায় বিনামূল্যে পরামর্শ এবং সহায়তা দান করে. এবং যাদের আপীল করার অধিকার আছে তাদের জন্য প্রত্যাখান সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল পেশ করে. আপীল এবং বিচারকীয় পুনরীক্ষণের মাধ্যমে এরা মামলা গুলিকে উচ্চতম কোর্টেও নিয়ে যেতে পারে.

ইলেকট্রনিক ইমিগ্রেশন নেটওয়র্ক

EIN -হল একটি স্বেচ্ছাসেবী সেক্টরের প্রতিষ্ঠান যাঁরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে, বিশেষ করে ইউনাইটেড কিংডম এবং ইউরোপে ইমিগ্রেশন এবং উদ্বাস্তু আইনের ওপর তথ্য সূচনার প্রতিবিধানে বিশেষজ্ঞ.

বহিরাগমণ আইন ব্যবসায়ীদের এসোসিয়েশন

ইমিগ্রেশন ল' প্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন বা বহিরাগমণ আইন ব্যবসায়ীদের 1984 সালে একদল অগ্রণী ইউ. ইমিগ্রেশন প্র্যকটিশনার দ্বারা গঠিত হয় : বহিরাগতদের পরামর্শ এবং প্রতিনিধিত্ব কে উন্নীত এবং ভালো করতে - আভ্যন্তরীণ এবং ইউরোপীয় ইমিগ্রেশনের উদ্বাস্তু এবং জাতীয়তা আইনের ওপর সদস্যদের সূচনা প্রদান করতে - একটি অ-জাতিবিদ্বেষী, অ-লিঙ্গভিত্তিক, যথাযথ এবং সমীকরণযোগ্য ইমিগ্রেশনের সিস্টেম সুরক্ষিত করতে.

ইউকে গভর্ণমেন্টের যোগাযোগগুলি

ইমিগ্রেশন এবং ন্যাশনালিটি ডাইরেক্টরেট

ইমিগ্রেশন এবং ন্যাশনালিটি ডাইরেক্টরেট ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য দায়ী থাকে. তারা থাকবার, নাগরিকত্ব এবং শরণের জন্য অনুমতির আবেদনগুলিকেও বিবেচনা করেন. এই ওয়েবসাইটটি আপনাকে ইউ কে-র ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণ এবং আবেদন কালে আপনার অধিকার ও দায়িত্ব বুঝতে আপনাকে সাহায্য করবে.

দি ন্যাশনাল এসাইলাম সাপোর্ট সার্ভিস

NASS বিবেচনা করে কোন আবেদন কারী এবং তাদের নির্ভরশীলগণ আইনসম্মত ভাবে দূরবস্থার মানদন্ডগুলি পূরণ করছে কিনা এবং তারপর কি ধরণের সহায়তা প্রদান করা উচিত. NASS যদি সহায়তা প্রদান করতে প্রত্যাখ্যান করে অথবা, সহায়তা প্রদান করার পর, NASS যদি তা বন্ধ করতে বা তুলে নিতে সিদ্ধান্ত নেয়, কোন শরণার্থী তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারে.

লিগ্যাল সার্ভিসেস কমিশন

LSC ওয়েলস এবং ইংল্যান্ডে আইনি সহযোগীতা দেখাশোনা করে. জনগণ যাতে তাঁদের দৈনন্দিন বিশাল সমস্যাগুলিকে মোকাবিলা করতে সূচনা, পরামর্শ এবং আইনী সাহায্য পান সেটি নিশ্চিত করার জন্যও তাঁরা দায়ী থাকেন.

দি ফরেন এন্ড কমন অফিস

ফরেন এবং কমন অফিস তাদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ইউ. কে-তে দূতাবাস এবং কনসুলেট গুলির তালিকা এবং তাদের যোগাযোগের বিবরণ প্রদান করে.

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলি

ইউনাইটেড নেশন হাই কমিশনার ফর হিউমান রাইটস

হাই কমিশনার হলেন মুখ্য ইউ এন অফিসার মানবাধিকারের দায়িত্ব সহ.